মেনু নির্বাচন করুন

খাগুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

খাগুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষ্মীপুর জেলাধীন সদর উপজেলায় ১৩নং দিঘলী ইউনিয়নের অন্তর্গত খাগুড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি ৩০ (ত্রিশ) শতাংশ ভূমির উপর একটি দ্বিতল ভবন ও একটি টিন সেড কাঁচা ভবনের দক্ষিণ মুখী অবস্থিত। বিদ্যালয়ের মাঠে দক্ষিণ পার্শ্বে একটি ছাত্রাবাস ও মাঠে পশ্চিম পার্শ্বে একটি পাকা মসজিদ রয়েছে।

০১/০১/১৯৮৮।

খাগুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৬৮জনাব মোঃ শরিয়ত উল্যা মিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তঁার যোগ্য জেষ্ঠ্য পুত্র জনাব মোঃ নূরুল আলম ১৯৮৮ইং সনে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে উন্নিত করেন এবং ১৯৯৪মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে সরকারী এম.পিও ভূক্ত হয়। তিনি বিদ্যালয়ের জন্য ১.৫০ একশত পঞ্চাশ শতাংশ জমিন দানপত্র কবলা করেদেন। প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীন সুন্দর পরিবেশে সুনামের সাথে  চলে আসছে। উল্লেখ্য যে, জনাব মুরহুম মোঃ শরিয়ত উল্যা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৫৩ইং সনে প্রতিষ্ঠা করেন এবং ৩৩ (তেত্রিশ) শতাংশ জমিন দান কবলা করে দেন।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ শামছুদ্দিন ০১৮১৪৭১৭৭১৯ khaguriahighschoo@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৬ষ্ঠ

৪৩

৪৮

৯১

৭ম

৪৮

৪৪

৯২

৮ম

৩২

২৩

৫৫

৯ম

৩১

২৯

৬০

১০ম

৩২

২০

৫২

৯৪.১১%

সদস্যগণের নাম

পদবী

জনাব আলহাজ্ব মোঃ আবু সাঈদ

সভাপতি

জনাব মোঃ ফখরুল আলম

দাতা সদস্য

জনাব আলহাজ্ব কামরুল ইসলাম নোমানী

কোঃঅপ্ট সদস্য

জনাব মোঃ আবদুল হাই মেম্বার

অভিভাবক সদস্য

জনাব গোলাম আজম সোহাগ

অভিভাবক সদস্য

জনাব আবুল বাসার

অভিভাবক সদস্য

জনাব নূরুল করিম

অভিভাবক সদস্য

জনাবা শাহীন আরজুমান

মহিলা অভিভাবক সদস্য

জনাব মোঃ মহি উদ্দিন

শিক্ষক প্রতিনিধি

জনাব মোঃ আবদুল খালেক

শিক্ষক প্রতিনিধি

জনাবা তাহমিনা সুলতানা

মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি

জনাব মোঃ শামছুদ্দিন

প্রধান শিক্ষক/ সদস্য সচিব

স্থানীয় বিদ্যাৎশাহী ও হিতৈষী ব্যক্তিদের উদ্যোগে জি.পি.এ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। ও সরকারী ভাবে বিভিন্ন সময়ে ১২ জন ছাত্র-ছাত্রী জুনিয়র বৃত্তি প্রাপ্ত হইয়াছে।

অত্র প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় শিক্ষিতের হার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ছড়িয়ে পড়ে।

সুশিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে শত ভাগ ফলাফল নিশ্চিত করণ ও একটি আদশ প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলা।

0



Share with :

Facebook Twitter