মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা ভূমি অফিস

১৯৫০খ্রি: সনে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন হয়। এ আইনে প্রজারা জমির মালিকানা ও স্বত্ব পায়। উক্ত আইনের পর প্রথম সার্কেল অফিসার(রাজস্ব) এর কার্যালয় চালু হয়। ১৯৮৪খ্রি: সনে উপজেলা ভূমি অফিস (সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয় সৃষ্টি) করা হয়। এ অফিসের আওতায় ৭টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস স্থাপন করা হয়। রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসটি পুর্বে লক্ষ্মীপুর রেভিনিউ সার্কেল অফিসের সাথে সংযুক্ত ছিল। ১৯৮৩ সনে এ অফিসটি রায়পুর স্থাপন করা হলে পরে নাম পরিবর্তন করে উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে নামকরণ করা হয়। এ অফিসটি লক্ষ্মীপুর জেলা হেড কোয়ার্টার হতে ১৬ কি:মি: দূরে এবং রায়পুর উপজেলা পরিষদ হতে ১ কি:মি: দূরে পূর্ব উত্তর কর্নারে নিজস্ব ভবনে অবস্থিত।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

 

ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবা প্রদনের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময় সীমা

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

০১

নামজারী ও জমা খারিজ

আবেদন প্রাপ্তির পর যথাযথ তদন্ত পূর্ব্বক পক্ষগণকে নোটিশ প্রদানক্রমে শুনানি গ্রহণ সাপেক্ষে কোন আপত্তি না থাকলে অনুমোদন।

ক) আবেদন বাবকোর্ট ফি ২০.০০(বিশ) টাকা।

খ) নোটিশ জারী ফি ২.০০(দুই) টাকা (অনধিক ৪ জনের জন্য)। এর অধিক প্রতি জনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসাবে আদায় করতে হবে।

গ) রেকর্ড সংশোধন ফি ১০০০.০০ (এক হাজার) টাকা।

ঘ) প্রতি কপি মিউটেশন খতিয়ান ফি ১০০.০০(একশত) টাকা। সর্বমোট= ১১৭০.০০ (এক হাজার একশত সত্তর) টাকা + নোটিশ জারীর ফি ৪ এর অধিক প্রতি জনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসাবে।

এখানে উল্লেখ্য যে, আবেদন বাবদ ৫.০০ (পাচ) টাকা কোর্ট ফি এর মাধ্যমে এবং অবশিষ্ট ফি ডি.সি. আর এর মাধ্যমে আদায় করতে হবে।

 

৪৫(পয়তাল্লিশ)দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবরে নামজারী আপিল দায়ের করণ।

০২

কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত

নির্ধারিত ফর্মে প্রদত্ত আবেদন গ্রহণ, আবেদন বাছাই, বন্দোবস্তের প্রস্তাব প্রেরণ।বন্দোবস্ত অনুমোদনের পর দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রেরণ। বন্দোবস্ত অনুমোদন এর পর রেকর্ড সংশোধন ও দলিল হস্তান্তর ।

৬০(ষাট)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৩

অকৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত

আবেদন প্রাপ্তির পর তদন্ত শেষে নথি সৃজন ক্রমে বন্দোবস্তের প্রস্তাব প্রেরণ।

১৫(পনের)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৪

ভূমি উন্নয়ন কর

মালিকানা সংক্রান্ত কাগজ পত্র প্রদর্শন পূর্ব্বক ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি উন্নয়ণ করের টাকা পরিশোধ করে রশিদ গ্রহণ

০২(দুই)দিন

সহকারী কমিশনার (ভূমি)বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৫

অর্পিত সম্পত্তি বন্দোবস্ত ও নবায়ন

যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক পাওয়া গেলে নবায়নের সুপারিশ সহকারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে প্রস্তাব প্রেরণ।

১৫(পনের)দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৬

জলমহাল (২০একর পর্যন্ত)  

ইজারা প্রদান, ইজারা ফি আদায়, দখল প্রদান।

৩০(ত্রিশ)দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৭

জলমহাল (২০একরের উর্ধ্বে)

ইজারাদার বরাবর দখল প্রদান।

০৩(তিন)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৮

বালু মহাল

ইজারাদার বরাবর দখল প্রদান।

০৩(তিন)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

০৯

হাট বাজার

ইজারাদার বরাবর দখল প্রদান।

 

চান্দিনা ভিটি একসনা লাইসেন্স ভিত্তিক বন্দোবস্তের আবেদন প্রাপ্তির পর তদন্ত শেষে প্রতিবেদন প্রেরণ।

০৩(তিন)দিন

 

 

১৫(পনের)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

১০

পর্চা প্রদান

ভূমি উন্নয়ণ করের রশিদ প্রাপ্তির পর রেকর্ড মতে পর্চা প্রদান।

০৩(তিন)দিন

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

১১

শ্রেনী পরিবর্তন

আবেদন প্রাপ্তির পর যথাযথ তদন্ত পূর্ব্বক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ।

১৫(পনের)দিন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

১২

ভূমি মালিকানা সনদ পত্র প্রদান

আবেদন প্রাপ্তির পর যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আবেদন কারীর নামে রেকর্ড থাকলে সনদ পত্র ইস্যু।

১৫(পনের)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

১৩

জাবেদা নকলের জন্য নথি ও খতিয়ান কপি প্রেরণ

আবেদন প্রাপ্তির পর নথি ও খতিয়ান কপি প্রেরণ।

০৩(তিন)দিন

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

১৪

বিভিন্ন দরখাস্তের উপর কার্যক্রম গ্রহণ

আবেদন প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরাবরে তদন্তের জন্য প্রেরণ এবং তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।

১৫(পনের)দিন

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আপত্তি দায়ের করণ।

সিটিজেন চার্টার

০১. নামজারী জমা খারীজ ত্ত জমা একত্রী করণ

ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে ছবিসহ আবেদনের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইন ১৯৫০ এর বিধান মতেনামজারী-জমাখারিজ-জমাএকত্রিকরণ তথা রেকর্ড সংশোধন করা হয়ে থাকে। এ সেবা পাোয়ার জন্য বর্তমানে ৪৫ কার্যদিবস সময় লাগে। এজন্য খরচ পরবে ২৫০ টাকা।

০২. কৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান

ভূমিহীন ব্যক্তিদের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে ছবিসহ আবেদনের প্রেক্ষিতে ১/- টাকা সেলামীতে কৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত নীতিমাল অনুযায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়ে থাকে। এর জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে আবেদন করতে হয়। ভূমিহীন বাছাই, উপজেলা ো জেলা কমিটি অনুমোদনের জন্য         দিন সময় লাগে।

০৩. অকৃষি খাসজমি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত প্রদান

ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আবেদনের প্রেক্ষিতে অকৃষি খাসজমি দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুযায় বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে বাজার মূল্যে এ বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়ে থাকে এজন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করতে হয়। সরেজমিনে তদন্ত, রেকর্ডপত্র যাচাই বাছাই এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সহ মোট        দিন সময় লাগে।

০৪. হাট বাজারে অবস্থিত চান্দিনা ভিটি একসনা বন্দোবস্ত প্রদান

পেরি ফেরী অনুমোদিত হাট বাজার সমূহে অবস্থিত চান্দিনা ভিটি সমূহ প্রকৃত ব্যবসায়ীদেরকে দখল বিবেচনা করে পরিবার প্রতি শধুাত্র একজনকে সব্বোচ্চ ০.০০৫০ একর বা আধা শতক জমি একসনা ইজারা দেয়া হয়ে থাকে। এ জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নিকট আবেদন করেতে হয়। সরেজমিনে তদন্ত, রেকর্ডপত্র যাচাই বাছাই এবং জেলা প্রশাসকে অনুমোদন সহ মোট        দিন সময় লাগে।

০৫. সায়রাত মহাল ব্যবস্থাপনা

সায়রাত মহাল বা হাট বাজার, সরকারী পুকুর, লেক, বালু মহাল, ফেরী ঘাট ইত্যাদি বাংলা বছর শেষে দরপত্র আহবানের মাধ্যমে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য ইজারা প্রদান করা হয়ে থাকে। ইজারা প্রদানের সময়সীমা ত্ত কার্যক্রম গ্রহনের সময়সীমা দরপত্রের সিডিউলে উল্লেখ থাকে।

০৬. রেকর্ডপত্র ত্ত মেৌজা ম্যাপ সংরক্ষন

উপজেলা ভূমি অফিসে এস এ/আর এস খতিয়ান, প্রকাশিত বি এস খতিয়ান, ত্ত মেৌজা ম্যাপ সংরক্ষন করা হয়ে থাকে।

০৭. ভূমি উন্নয়ন কর আদায়

এ উপজেলার আোতাধীন পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিস সমূহ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করে থাকে।

সাধারন তথ্য

 ০১।খতিয়ানকি?
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ানবলে।
  ০২।সি,এসরেকর্ডকী?
সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ডবলাহয়।
 ০৩।এস,এখতিয়ানকী?
সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ানবলাহয়।  
০৪। নামজারীকী?
উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে  তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকেনামজারীবলে।
০৫। জমাখারিজকী?
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
০৬। পর্চাকী ?
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকের নিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
০৭। তফসিলকী?
তফসিল অর্থ জমির পরিচিতিমূলক বিস্তারিত বিবরন। কোন জমির পরিচয় প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমান ইত্যাদি তথ্য সমৃদ্ধ বিবরনকে তফসিল বলে।
০৮। মৌজাকী?
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটিমৌজাঘঠিতহয়।
০৯। খাজনাকী?
ভূমি ব্যবহারের জন্য প্রজার নিকট থেকে সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে ভুমি কর আদায় করে তাকে ভুমির খাজনা বলা হয়।
 

১০। ওয়াকফকী     ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মুসলিম ভূমি মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যানমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যায় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দান করাকে ওয়াকফ বলে।
১১। মোতওয়াল্লী কী ?
ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান যিনি করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে।মোতওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাষকের অনুমতি ব্যতিত ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
১২। ওয়রিশ কী ?
ওয়ারিশ অর্থ ধর্মীয় বিধানের আওতায় উত্তরাধিকারী। কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্নীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে ওয়ারিশ বলা হয়।
১৩। ফারায়েজ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
১৪। খাস জমি কী ?
ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
১৫। কবুলিয়ত কী ?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহন করে খাজনা প্রদানের যে অংঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
১৬। দাগ নং কী ?
মৌজায় প্রত্যেক ভূমি মালিকের জমি আলাদাভাবে বা জমির শ্রেনী ভিত্তিক প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সিমানা খুটি বা আইল দিয়ে স্বরজমিনে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়। মৌজা নক্সায় প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে জমি চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রদত্ত্ব নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে।
১৭। ছুট দাগ কী ?
ভূমি জরিপের প্রাথমিক পর্যায়ে নক্সা প্রস্তুত বা সংশোধনের সময় নক্সার প্রত্যেকটি ভূ-খন্ডের ক্রমিক নাম্বার দেওয়ার সময় যে ক্রমিক নাম্বার ভূলক্রমে বাদ পরে যায় অথবা প্রাথমিক পর্যায়ের পরে দুটি ভূমি খন্ড একত্রিত হওয়ার কারনে যে ক্রমিক নাম্বার বাদ দিতে হয় তাকে ছুট দাগ বলা হয়।
১৮। চান্দিনা ভিটি কী ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান অংশের অকৃষি প্রজা স্বত্ত্য এলাকাকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
অগ্রক্রয়াধিকার কী ?
অগ্রক্রয়াধিকার অর্থ সম্পত্ত্বি ক্রয় করার ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে অন্যান্য ক্রেতার তুলনায় অগ্রাধিকার প্রাপ্যতার বিধান। কোন কৃষি জমির মালিক বা অংশিদার কোন আগন্তুকের নিকট তার অংশ বা জমি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করলে অন্য অংশিদার কর্তৃক দলিলে বর্নিত মূল্য সহ অতিরিক্ত ১০% অর্থ বিক্রি বা অবহিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জমি ক্রয় করার আইনানুগ অধিকারকে অগ্রক্রয়াধিকার বলা হয়।
১৯। আমিন কী ?
ভূমি জরিপের মধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তুত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলা হত।
২০। সিকস্তি কী ?
নদী ভাংঙ্গনে জমি পানিতে বিলিন হয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হলে সিকস্তি হওয়ার প্রাককালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন, তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
২১। পয়স্তি কী ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলা হয়।
২২। নাল জমি কী ?
সমতল ২ বা ৩ ফসলি আবাদি জমিকে নাল জমি বলা হয়।
২৩। দেবোত্তর সম্পত্তি কী ?
হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন, ব্যাবস্থাপনা ও সু-সম্পন্ন করার ব্যয় ভার নির্বাহের লক্ষ্যে উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি সম্পত্তি বলা হয়।  
২৪। দাখিলা কী ?
ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফরমে (ফরম নং-১০৭৭) ভূমিকর আদায়ের প্রমানপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
২৫। ডি,সি,আর কী ?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে ডি,সি,আর বলে।
২৬। দলিল কী ?
যে কোন লিখিত বিবরনি যা ভবিষ্যতে আদালতে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিষ্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করেন তাকে সাধারনভাবে দলিল বলে।
২৭। কিস্তোয়ার কী ?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভূজ ও মোরব্বা প্রস্তুত করারপর  সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভূমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নক্সা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
২৮। খানাপুরি কী ?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরণ করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

ছবি নাম মোবাইল
সুশীল বিকাশ চাকমা ০১৭১২৪৪২৭৮৩
মোঃ শামীম হোসেন 01788577716, 01739340263

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ শামীম হোসেন 01788577716, 01739340263

আশ্রয়ণ প্রকল্পের তথ্যঃ

 

ক্রঃ নং

আশ্রয়ণ প্রকল্পের নাম

    পুনর্বাসিত পরিবারের সংখ্যা

০১

উত্তর চর বংশী জালিয়ার চর আশ্রয়ন প্রকল্প

     পুনর্বাসনের কার্যক্রম সম্পন্ন

০২হাজীমারা  আশ্রয়ন প্রকল্পপুনর্বাসনের কার্যক্রম সম্পন্ন

উপজেলা পরিষদ হতে ১ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর কর্নারে উপজেলা ভূমি অফিস অবস্থিত। রিক্সা যোগে ভাড়া ১০ টাকা। রায়পুর কেন্দ্রীয় বাস স্ট্যান্ড হতে রিক্সাযোগে ভাড়া ১০ টাকা। রায়পুর পৌরসভা হতে রিক্সাযোগে ভাড়া ১০ টাকা।